সৈয়দ এনামুল তাজের কবিতা

সময়শৈশব

সময় বদলে যায়, বয়সও
বার্ধক্যে নামে মা, আব্বাও
আমার ছোট্ট সন্তানটি বার বার প্রশ্নে মাতে…
আব্বু, ট্রেনগুলো কোথা থেকে আসে,
ট্রেনগুলোর বাড়ি কৈ, ঘর কৈ
ট্রেনগুলো কৈ টয়লেট করে?

কিংবা

আব্বু, ফুলগুলো লাল কেনো,
পাখিগুলো উড়ে কেনো
মাঝরাতে প্রচন্ড ঠান্ডা হলে
ঝিঁ ঝিঁ পোকাদের শীত লাগে না?

সন্তানের মুখে অদ্ভুদ প্রশ্ন শুনে আনন্দ পাই আমরা— আমি, আমার বউ, ভাবী; একদিন আমরাও এমনি করতাম।
আমাদের মা,
আমাদের আব্বা— এমনি আমাদের শৈশবটাকে উপভোগ করতেন। হাসা-হাসি করতেন

অঙ্গগন্ধ

নাচঘরে খুলে রাখি বাম পাঁজরের হাঁড়
স্নানঘরে এ-দেহটা মনে হয় আয়না
কেউ এসে তাকিয়ে রয়
কেউ এসে ভেঙে যায়… থর থর

কেউ একজন বুকের ভেতর বসে
খিল খিল করে হেসে যায়,
কেউ একজন গ্রহণ নয়
কবিকে ধারণ করছেন মমতায়

গোপনে গন্ধ পাই… কমলার।

যারে বাসোভালো
মুখপানে তাকাও
তাকিয়ে থাকো— তাকিয়েই থাকো…
দেখো, কিছু যদি মেলে। কখনো রাগ
ঘুমভাঙা মুখের গন্ধটা ফুল হয়ে ফুটে— দোলনচাঁপা।

সৈয়দ এনামুল তাজ