দলহারা উট ও র‌্যাডিক্যালোসুশীল কবির নমুনা

The unconscious is the discourse of the other.
Jacques Lacan

গত ত্রিশ সাত দুই হাজার দশ ইং তারিখে প্রথম আলো’র সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত সাজ্জাদ শরিফের প্রবন্ধ ‘বাংলা কবিতার ছিন্ন পথ’–এর ওপর আমার দৃষ্টি নিবদ্ধ হয়েছে। কবিতায় আশির একজন কমরেড হিসেবে তার পরিচিতি আমি লক্ষ্য করি, প্রতিষ্ঠানবিরোধী আন্দোলনের মুখপত্র এবং ইশতেহারযুক্ত লিটলম্যাগ গাণ্ডীবের মাধ্যমে। যে ইশতেহারটি মূলত স্বাধীনতাপরবর্তী আশির কাব্যসাহিত্যকে একটা নতুন মাত্রা এনে দিয়েছে, যা ঐতিহাসিকভাবে একটা যুক্তিপ্রসূত পদক্ষেপ; সেসময় সাজ্জাদ শরিফ তাদেরই একজন প্রধান লেখক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে কবিতাকে প্রধান অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু সে কথা থাক। আমার কথা হলো, সেই কবি সাজ্জাদ শরিফ (গাণ্ডীব পর্বের) এবং আজকের সাজ্জাদ শরিফ (স্বপক্ষ ত্যাগকারী, প্রতিষ্ঠান পর্বের)-কে মেলানো যায় কি?

প্রথম পর্বের সেই সাজ্জাদ শরিফ ছিলেন কাব্যের সাম্প্রতিকতার পক্ষে আর সেই কাব্যসাম্প্রতিকতারই বিপরীতে আজ সাজ্জাদ শরিফকে দেখতে পাই। যেহেতু তার প্রকাশিত প্রবন্ধটির রুচি প্রচলিত রাজনীতি, অর্থনীতির ও সাহিত্যের স্থিতিরই পক্ষে সাফাই করে। পীড়নশীল ক্ষমতাকাঠামো ও সুশীল সমাজ এ বিষয়টা বহুকাল থেকেই চালিয়ে আসছে, তথা জনসাধারণের দৃষ্টিগত, মননগত, সৃজনগত জায়গায় বহুদিন থেকে এ বিষয়টি পরিচিত। ফলে সুশীলদের কাছে বহির্জগতের প্রতি ‘সুশীল’ প্রতিক্রিয়াই সাহিত্য অভিধেয় হয়ে থাকে। বিভিন্ন মুদ্রণ ও ভিজ্যুয়াল মিডিয়ায় এ প্রক্রিয়া পুরোদমেই চলছে।

অথচ সাজ্জাদ শরিফ মনে করেন যে, আশির দশকে পুনরায় চেতনার ব্যক্তিগত কোটর ও বহির্জগতের বিচ্ছিনতা তৈরি হলো। এজন্য তাকে দুঃশ্চিন্তা, দুর্ভাবনায় থাকতে হচ্ছে। অর্থাৎ এটা তার কামনা নয়। গত দুই যুগ ধরে আমার দেখা মূলধারার মাধ্যমের বাইরে সক্রিয় আন্দোলন, সমাজভাবনা ও কবিতার ভেতর সেই বাস্তবতাকে খুঁজে পাইনি। বরং বলা যায়, কবিতায় সমাজ থেকে আসা ভাষাকেই অন্তর্জগতের মিথস্ক্রিয়ার ভেতর দিয়ে নতুন চেহারা পেতে দেখেছি (এর অজস্র উদ্ধৃতি দেয়া সম্ভব, এমনকি তার নিজের কবিতা থেকেও)। অন্তর্জগত ও বহির্জগতের মধ্যে তেমন কোনো বিভেদ আমার চোখে পড়েনি। এটা যেমন শামসুর রাহমানের কবিতায়, তদ্রুপ আল মাহমুদ, রফিক আজাদ, নির্মলেন্দু গুণ, ফরহাদ মজহারের কবিতায়ও সেই ছাপ আজো দুর্লক্ষণীয় হয়ে পড়েছি। বরং তাঁদের রচনায় অন্তর্জগতের সংবেদেনশীনতার প্রাধান্য নেই। তবে এটা সবসময় স্বীকার করতে হবে যে, সংবেদনমাত্রই বহির্জগতের প্রতি সংবেদন, এবং অন্তর্জগত মানেই সেইসব সংবেদনের স্বতঃনির্বাচনের এক উদ্ভাস। কেননা ব্যক্তির অচেতন সর্বদাই অপরের সন্দর্ভে গড়া। তার বাসনা অপরেরই বাসনা। তাই ব্যক্তিতে এরা সর্বদাই এক সামাজিক-রাজনৈতিক মাত্রা নিয়ে বিরাজিত। তাই সাহিত্যমাত্র অন্তর্জগত বিধৌত বহির্জগতের সংবেদনশীল প্রকাশ। বা সাহিত্যে অন্তর্জগত ও বহির্জগত সব সময়েই দ্বান্দ্বিকতা বজায় রেখে মিলেমিশে থাকে। কোনো লেখকেরই সংবেদনসীমার বাইরে কোনো জগত নেই। তার সংবেদনসীমার বাইরে যে জগত পড়ে থাকে তা জানতে পায়, কেমন সাহিত্য বস্তু যখন পাঠক সমাজের, অন্যার্থে অপরের নাগালে আসে। বহির্জগতের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি সে কেবল পাঠক মানসের চিহ্ন পাওয়া বা না পাওয়া। এই ‘অপর’-এর জগত যা প্রচল মতকাঠামোর স্থিতির পক্ষে যাবতীয় সম্মোহনগ্রস্থ তাকে র‌্যাডিক্যাল সাহিত্য সবসময়ই উপড়ে চলে, মুচড়ে চলে। বহির্জগতের প্রতি প্রচল সাড়া র‌্যাডিক্যাল সাহিত্যে পূর্বের মতো আর থাকে না। ফলে অনেকের কাছে বহির্জগতের অনুপ্রবেশ কবিতায় রুদ্ধ হয়ে পড়েছে মনেই হতে পারে। এক্ষেত্রে বলা যায়, সাম্প্রতিক কবিতার দিকে সমালোচনামূলক প্রচল দৃষ্টিভঙ্গিরই পরিবর্তন আবশ্যক, বহমান প্রচল সাহিত্য আলোচনারীতির ভেতর দিয়ে আজকের সাহিত্যকে দেখলে, এর মাঝে অন্তশীলভাবে বইয়ে চলা সামাজিক, রাজনৈতিক উদ্ভাসকে ধরা যাবে না, স্বল্প কয়েকজনই এটা স্পষ্টভাবে ধরতে পারে। তবে এটা ধীরে ধীরে ভবিষ্যতের এবং আজকের পাঠকের কাছে স্পষ্ট হতে থাকবে, তা একদিনে হবার নয়। পুরনো চোখে নতুন সাহিত্য প্রবণ তাকে বিচারের বিড়ম্বনাই, এমনকি সাজ্জাদ শরিফও, এই লেখাটিতে ফুটিয়ে তুলেছেন।

অথচ সাজ্জাদ শরিফ, জানি না, শামসুর রাহমানকে গ্রহণ করলেন কি কেবলই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে ব্যক্তি রাজনৈতিক চিন্তাভাবনাকে প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনে? তাহলে তো বলতে হয়, আগামীদিনের জন্য নতুন আরেক কবিকে তিনি তার পছন্দের তালিকায় তুলে আনবেন। যে কবি শামসুর রাহমানের মতোই পূর্বাপর মতকাঠামো ও সুশীল সমাজের সমন্বিত প্রতাপ কাঁধে বয়ে বেড়াবে, সেই কবি কে? রফিক আজাদ, নাকি নির্মলেন্দু গুণ? নাকি অদূর ভবিষ্যতে দেখতে পাবো কোনো এনজিও-মার্কিস্ট কবিকে সামনে এনে আমাদের দেখাবেন র‌্যাডিক্যালোসুশীল কবির নমুনা?

সে যাই হোক, কবিতা যে বহির্জগত থেকে আসছে না, সে যে অন্তর্গত ভাষারই নিপুণ কবিতা হয়ে যাচ্ছে, গত কয়েক দশক ধরে, সে আক্ষেপকে মোটেই মানা যায় না। কেননা, বাংলা-বাঙালি ও বাংলাদেশী সংস্কৃতি ও তার ইতিহাসই প্রমাণ দেয় যে, বহির্জগতের ভাষার সাথে অন্তর্জগতের ভাষার কোনো ফাঁরাক নেই, অন্তত কাব্যে তো নে-ই। সেটা কতটা আধুনিক, নাকি অনাধুনিক, নাকি উত্তরাধুনিক সে প্রশ্ন এখানে বিতর্কিত নয় (কেননা, হিন্দু আধুনিকতা এবং মুসলমান আধুনিকতা প্রসঙ্গত এই আলোচনায় একটা ইঙ্গিত বা আভাস দেয়। যা সাম্প্রদায়িকতার বীজকেই পূনর্বপন করে। এমন অনুপ্রেরণা থেকে ফররুখ আহমদ, সৈয়দ আলী আহসানদের যাত্রা শুরু হয়েছিল)। আমার মতে, জনাব সাজ্জাদ শরিফের বোধ নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, কেননা, কেউ কি এখন সেই ধারার আধুনিক কবি হতে চান, সেখানেও বহির্জগতের বিদ্যুতস্পষ্টতা ছিল। আর আধুনিক কবিতার শর্ত মেনে কবিতা লেখা কি এখন সম্ভব?

কাব্যক্ষেত্রে সেটা এখন পুরোপুরি প্রচল ব্যাপার। যে স্থানকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেই আশির দশকের কাব্য আন্দোলন শুরু হয়েছিল, আজকের প্রেক্ষিতে পৌঁছে যাকে সাজ্জাদ শরিফ মহাসংকট বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এই মহাসংকট যে বহির্জগতের দিকে প্রচল চোখে তাকানোর ব্যাপার নয়, তা তিনি বুঝতেই পারেন নি। তাই সংকটের অনিবার্যতা সৃষ্টিতে তিনি বহির্জগত নিয়ে যারা লিখছেন, তারা নতুন কোনো শক্তিশালী ভঙ্গি সৃষ্টিতে ব্যর্থ হয়েছেন, এবং সমসময়ের কবি ও পাঠকদের উপর প্রভাব সঞ্চারে ব্যর্থ হয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন। অনিবার্যভাবেই, কবিতায় বহির্জগতের প্রবেশ রুদ্ধ হয়ে পড়েছে এ যুক্তি ধোপে টেকে না। সুতরাং অন্তর্জগতের সাথে বহির্জগতের দেখা মেলেনি একথা যেমন সত্য নয়, তদ্রুপ প্রবন্ধটিতে একটা ম্রিয়মান কাব্যভাষা ও স্বর অনুসন্ধানের প্রতি তার পিছুটান আমরা অনুভব করি, অথচ মনের সাথে বহির্জগতের সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয়, আশির নীরব কাব্য বিপ্লব।

উল্লেখ্য যে, আশির কবিদের সাহিত্য সফলতার উল্লেখ করলেও এ প্রসঙ্গে কবিদের নাম এড়িয়ে গেছেন (যেমন: শান্তনু চৌধুরী, শোয়েব শাদাব, বিষ্ণু বিশ্বাস, সৈয়দ তারিক), যদিও শামসুর রাহমান, বা বিদেশী কবি অ্যাডোনিস বা বারাকের নাম উল্লেখ ঠিকই করেছেন, এটা তার দ্বিমুখী প্রবণতাকেই চিহ্নিত করেছে। একইভাবে পরবর্তী সময়ের বিষয়ে আংশিক মূল্যায়ন করলেও তার মতের স্বপক্ষে কোনো কবির নামও এড়িয়ে গেছেন। তিনি কিছু কবির নাম জানাতে পারতেন। যদিরে কবিতার ভাষাটি অন্তর্গত চেতনায় দ্রোহী ও বিপ্লবী, যা সব সময়ই তাদের কাব্যবৈশিষ্ট্যকে স্বতন্ত্র করেছে। চেতনায় অন্তর্জগতের সাথে বহির্জগতের তীব্র সংযোগ ছিল বলেই না সেটা সম্ভব হয়েছে।

এখানে লক্ষ্য করি, জনাব সাজ্জাদ শরিফ ব্যঙ্গকারী বা স্যাটায়ার কবিদের দিকে তার নেক নজর কিছুটা হলেও বড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু কথা হলো, সেটা কি উঁচু মানের কোনো শিল্পবোধ তৈরি করে? সাহিত্যে স্যাটায়ার যে সবসময়ই উৎকৃষ্ট সাহিত্য হয়, তেমন প্রমাণ দেওয়াও সম্ভব নয়, বরং এটা যে বস্তুর উপর দিয়ে যায় তাকে পঁচিয়ে ছাড়ে এবং সে বস্তুর উপর লোকে আগ্রহ হারায়। কিন্তু এমনটা কি কখনো কাম্য? যখন চাই বস্তুর স্থিতির দীর্ঘসূত্রিকাকে ভেঙে তাকে নতুন গতির দিকে নিয়ে যেতে। এ কথা অবশ্যই যুক্তিযুক্ত নয় যে, স্যাটায়ারকারী কবি মহৎ কিছু। আর এ প্রসঙ্গে সাজ্জাদ শরিফের নিজেরই আরেকটা গদ্য থেকে উদ্ধৃত করা যেতে পারে, ‘যে কারণ্য ও সহমর্মিতা, স্পৃহা, অন্বীক্ষা, লিপ্ততা ও সহগামীতা শিল্পের উপাদান অর্জনের ও সংগঠনের চাবি, বিদ্রুপ তাকে ধ্বংস করে। যে আত্ম-মুকুরের ভেতর দিয়ে কবি গহনে নেমে যায় তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই বিদ্রুপ কখনো মহৎ সাহিত্যের অন্যতম লক্ষণ হতে পারে না’। এক্ষেত্রে বলা যায়, পীড়নশীল ক্ষমতা কাঠামো যখন একমোদ্বিতীয়ম, তখন, সুশীল হওয়ার চেয়ে ভাঁড় হওয়ার চেয়ে র‌্যাডিক্যাল বা বিপ্লবী হওয়াই, শিল্পী, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদদের প্রধান প্রবণতা। যেমন দেখেছি ফরাসি বিপ্লব কিংবা সোভিয়েত রাশিয়ার উদ্ভবের ক্ষেত্রে।

আশির দশকও ব্যতিক্রম নয় যে বিষয়ে সে হলো, বাস্তবতার একঘেঁয়েমিকে ঝেড়ে মুছে নতুন একটা রুচির ও জীবনের স্বপক্ষে তাদের কাব্যিক অবস্থানকে সুদৃঢ় করতে চেয়েছে। এখানেও দেখি বহির্জগতের সাথে অন্তর্জগতের গভীর আত্মীয়তা। তবে যাকে বলে বিচ্ছিন্নতা, যেস বিচ্ছিন্নতা মূলত কারো কারো কবিতায় অবশ্যই এসেছে। যা প্রতিষ্ঠানের সাথে আপসেরই চিত্র। যেমন জাতীয় কবিতা পরিষদ যা নির্দিষ্ট ক্ষমতার সমান্তরালে থেকেছে সবসময়ই, এবং সময়ের পালাক্রম অনুসারে কোনো না কোনো ক্ষমতাসীন দলের আশ্রয়ে নিজেকে ঠেলে দিয়েছে। এ পরিষদ সক্রিয় আছে অদ্যাবধি। আর সেইসব সংরক্ষণশীল প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিনিধি দলসমূহের সক্রিয়তা ও তাদের রাজনীতিকে যেহেতু আশির ও এর পরবর্তী কবিরা কবিতা থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে, তখন প্রচল ও সংরক্ষণশীল সাহিত্যরুচির কেউ এই অভিযোগ আনতেই পারে; কবিতায় বহির্জগতের প্রবেশ রুদ্ধ হয়ে পড়েছে। যেহেতু র‌্যাডিক্যাল কাব্যে সুর, স্বর ও ভাষার পরিবর্তন প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধ অভিরুচিকে কখনেই মেনে নেয় না। বরং তাকে নতুন করে, গড়িয়ে পিটিয়ে নেয়র ইন্ধনই সে যোগায়, তা সাজ্জাদ শরিফের চোখ এড়িয়ে যাবার কথা নয়। তবু তিনি মূর্ততার ভেতর বিমূর্ততাকেই যে চালিয়ে দেবেন, এবং বলতে চাইবেন সমকালীন রাজনীতি ছিন্ন হয়ে পড়েছে কবিতার ধারা থেকে, অথচ তা নয়, বরং এও এক ইতিহাসের ভেতর দিয়ে তাকিয়ে কবি সুকান্ত বা সুভাষদের তিনি তুলে আনবেন না, সেটাকেই হয়তো তার মতো আরো অনেকেরই মধ্যে বেশ কিছুদিন প্রত্যক্ষ করতে হবে। কিংবা তাদের নাম এলেও, সুশীলদের হাতে যেমনটা হয়ে থাকে, অবশ্যই আজকের প্রেক্ষাপটে নবতাৎপর্যে তারা উদ্ভাসিত হবেন না, বরং ইতিহাসের সামগ্রী হিসেবেই আলঙ্কারিক মর্যাদায় অভিষিক্ত হবেন। বর্তমানের প্রেক্ষপটে এসব কবির টেক্সটের রক্তিম-দ্বান্দ্বিকতাটা উচ্চকিত হওয়ার বদলে নিষ্প্রভ হয়েই থাকবে।

তার দেখা কবিতার পরিবর্তনটা অবশ্যই একটা কিছু, যদিও তা ক্ষমতাসীন ও সুশীলদের চোখ দিয়ে তাকানো, এটা খুবই পরিষ্কার।

আমীর খসরু স্বপন