মুক্তগদ্যের ইশতেহার



মুক্তগদ্য কী? আপাতচোখে ইহা এক প্রকারের গদ্য-কবিতাই। তবে ইহার কোনো চরিত্র নাই। ইহা চরিত্রহীন গদ্য। কখনো বলা যায়, এটা কবিতার ভিতর থেকেই উৎসারিত এক প্রকার নির্যাস কিংবা জারক-রস অথবা আঁতুড়ঘরের কবিতা, কিংবা বিমূর্ত গল্পের হাড়গোর। এহেন বাক্য দিয়া শুরু করিয়াই মনে হইলো, প্রকৃত-অর্থে মুক্তগদ্যের এই জাতীয় কোনো ইশতেহারেরও দরকার নাই। তারপরও এই প্রচারপত্র জ্ঞানী পাঠকদের জন্য যারা মুক্তগদ্যে বাঙলা ব্যাকরণের কুসুমিত ব্যবহার খুঁজে ফেরেন। প্রকৃত-অর্থে মুক্তগদ্যের কোনো নিয়ম নাই। তবে একটা কথা, না-নিয়মেরও একটা নিয়ম তৈরি হয়, রীতি উঠে দাঁড়ায়। ধরেন, কালী মাকে কেউ চুল বাঁধা শেখায়নি বলেই হিজিবিজি চুলই তার হিরণ্ময় আভরণ হয়ে রইলো। এইসব ভক্তদের চোখ নিজেই বিন্যস্ত করে নেয়। তার মানে বলছি না কালীভক্ত হতে হবে। তবে কালীপুরাণ লেখার জন্য কালীভক্ত হওয়ার দরকার আছে বৈকি।
যারা আমার কথার টোনে অথরিটি খুঁজে পাচ্ছেন তারা চাইলে নতুন নিয়মও তৈরি করে নিতে পারেন। কারণ আমরা মনে করি, মুক্তগদ্য লেখক হইলো সেই বস্তু যাহারা আর্টের ভিতর থাকিয়া যেইকোনো লেখ্যরূপ তৈরি করতে সক্ষম।
জ্ঞানী পাঠক, আপনার যদি মনে হয় আমাদের মুক্তগদ্যে ক্রিয়াপদ ব্যবহারে ভয়ানক বিপর্যয় ঘটেছে—তাহলে আপনি ঠিক, এইটা আসলেই দুর্ঘটনা নয়, এটা ঘটনা। আমরা ঘটাই, এই যা। অবশ্য আপনার মতো আরো অনেকে মনে করেন, আমরা ক্রিয়াপদের সুষম ব্যবহার জানি না। আপনি যদি আরো মনে করেন, ভাষায় সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ গুরুচণ্ডালী দোষের জন্ম দিয়েছে—তাহাও সত্য, ইহাও দুর্ঘটনা নহে, ঘটনা। কথ্যভাষায় আমরা ব্যাকরণ মেনে চলি না। মুক্তগদ্যেও এইরূপে আমরা ব্যক্ত করি আপাত প্রলাপ, আলাপ আর বিলাপসমগ্র। অবশ্য আপনার মতো আরো অনেকে মনে করেন, আমরা ভাষার সাধু-চলিত রূপের ব্যবহার জানি না। আর সবশেষে আপনি যদি বলেন, মুক্তগদ্যের কোথাও কোথাও সাহিত্য পদবাচ্য হয়ে ওঠেনি, তাহলে মাননীয়, আপনার সমীপে আমার সবিনয় প্রশ্ন, সাহিত্য প্রকৃত অর্থে কী বস্তু?
কোনোদিন মহাকবি কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস এসে শুধালো, ‘মুক্তগদ্যটা আসলে কী বস্তু?’। আমি বললাম, ‘ইহা তেমন কিছু নহে—যেনো বা কবিতা ও গদ্যের মাঝামাঝি কিছু। যে গদ্যের কোনো নিয়ম নাই। সকল দিক থেকে মুক্ত, অনেকটা প্রলাপের মতো। ধরেন, আমি এইভাবে ভাঙি। এইটা একটা চালতার পাতা। এইটা শূন্য নয়, ইহা শূন্যতা। আমার পরিণত স্বপ্নের হাওয়াচিল। এইটা পরিত্রাণ, এইটা সত্যপীর—ঘুরে আসে ত্রিমাত্রিক সমুদ্রের অখিল পাথার। এইটা অখিলবন্ধু ঘোষ, যার গান স্মৃতিতেই বাজে। এইটা হেমাঙ্গ বিশ্বাস, ভাব আর বস্তুর অমিয়-তাঁত। এইটা চারুলতা—কাকে পত্রাঘাত করে, কার মশারির ছাদে বুনে দেয় চূড়িদার নকশা আর কাম? এইটা ইনফার্নো, আমি আর ভার্জিল হেঁটে ক্ষয় করেছি পায়ের পাতা ও নখ। এইটা বিয়াত্রিস। এইটা নয়ছয়, এইটা অপচয়… এইটা নিকেল—ছেলেবেলায় টর্চলাইটের চারপাশে দেখে অবাক হয়ে গেছি। এইটা রাতনষ্ট—এইটা গানের ভিতর ভাঙে, কেবলই ভাঙে, নির্ঝর ভাঙে…।’
কে কী শুধালো তা বড় কথা নয়, বস্তুটাই আসল। দ্বৈপায়ন এসে শুধানোরও দরকার নাই। সে হাই-ইশকুলের অংকের মাস্টারও হতে পারে।

ষোড়শ শতাব্দীতে এই জাতীয় গদ্যকবিতাকে ফরাসি দেশে অন্তরঙ্গ-রচনা বলতো। মিশেল দ্য মন্টেইন (১৫৩৩ -১৫৯২) প্রথম এই জাতীয় রচনাকে জনপ্রিয় করে তোলেন। তারপর চার্লস ল্যাম, ভার্জিনিয়া উল্ফ, জর্জ অরওয়েল প্রমুখ। তবে মুক্তগদ্যের সৃষ্টি সেই আদি আদমের মাথাতেই প্রথম। যে কিনা নিঃসঙ্গ ঘুড়ি হয়ে উড়ে উড়ে বিদ্ধ করেছে পর্বত আর সমুদ্র, খামছে খেয়েছে মেঘ আর জগদ্দল পাথরসমূহ। নৈসঙ্গ তার মাথার ভিতর যে অবিন্যস্ত, সংলগ্নতারহিত, দালিমের লালগন্ধের মতো প্রলাপের সৃষ্টি হয়েছিলো তাই-ই মুক্তগদ্যের ভাবরূপ বলে আমরা ধরে নিতে পারি, পরে তা ভাষারূপে হাওয়ার কানে আর স্তনে প্রোথিত হয়েছিলো জানি, তারও পরে প্রস্তর ফলকে লিখিত হয়েছে কোথাও না কোথাও। যেমন ধরেন, সমুদ্রের অশ্রুর খাতায়, রক্তের খাতায় মাছেরা, শঙ্খেরা, প্রবালকীটেরা যে মুক্তগদ্য লিখে রাখে তা তরঙ্গ হয়ে পরপর চিরদিন ভেঙে পড়ে। তারপর ধরেন সকল প্রফেটগণ কালে কালে শাস্ত্রের ভিতর ঠেসে ধরেছেন যা কিছু অমিয় নিরাময়ী বাণীর তৃষ্ণা, তাও একপ্রকার মুক্তগদ্যই। তারপর কালে কালে পেয়ে যাই শার্ল বোদলেয়ার, রবিনাথ আরো কতো হিজিবিজি কবিদল। অ্যালিস ওয়াকার, হুমায়ুন আজাদ, আবদুল মান্নান সৈয়দ-সহ আরো অনেকের অনেক গদ্যকেও আমার কখনো মুক্তগদ্য বলেই মনে হয়েছে। তারপর অনেকবছর পর আমরা সেইসব বাতিল কবিতা, ডায়েরির খাতা, রৌপ্যনির্মিত আয়াতসমূহকে মুক্তগদ্য নাম দিয়ে ইন্টারনেটের ভিতর ছোটো মাছের ঝাঁকের মতো বুনে দিলাম প্রতিদিন।

এইবার আসা যাক, অনতিদূর ইতিহাসের কাছে, যা অনেতিহাসকে ব্যঙ্গ করে সদলবলে দাঁড়িয়েছিলো প্রচলিত, প্রথাগত গদ্যকাঠামোর বাহিরঘরে। আমরা সেই তো বেশ কয়েকবছর আগে দুইহাজার সাতআটের দিকে সামহয়্যারইনব্লগে মুক্তগদ্য লেখা শুরু করলাম নতুনরূপে। আমাদের অনুপ্রাণিত করেছিলেন দেলোয়ার হোসেন মঞ্জু গেওর্গে আব্বাস নামে। তার লেখা মুক্তগদ্যকেই আমি আমাদের নতুনপর্বের প্রথম সফল মুক্তগদ্য বলে মনে করি। তিনি মনে করতেন যেই গদ্যে নিমের ছায়া আছে তাই-ই মুক্তগদ্য। তারপর মুজিব মেহদী, তিনি এ জাতীয় রচনাকে বলেছেন উভলিঙ্গ রচনা। আবার কৌশিক সরকার বলেন, ‘মুক্তগদ্য আর কিছুই নয়—নিৎশিয়ান আক্রমণের ভঙ্গিমা—অ্যাফোরিজম।’ তারপর মাসুদ খান, লাবণ্য প্রভা, মুক্তি মণ্ডল আরো অনেক নাম। আর ত্রিপুরা-বাঙলার দীপঙ্কর সেনগুপ্ত। ওপার বাঙলায় মলয় রায়চৌধুরী, বারীন ঘোষাল, যিনি কখনো এ জাতীয় লেখাকে নতুন কবিতা বলতেন। তারপর সুদেষ্ণা মজুমদার, আর্যনীল মুখোপাধ্যায়, অভিজিৎ মিত্র ইত্যাদি। তবে তারা হয় গল্পের মতো করে লিখেন, না হয় কোনো বিষয়ভিত্তিক একধরনের খোলামেলা রচনা লিখেন—যা থেকে বের হয়ে আমরা অন্যকিছু লিখতে চাই। যেমন, ইদানীং অনেক তরুণ কবিই অনেক ভালো মুক্তগদ্য লিখে অভিভূত করছেন পাঠককে। সাম্প্রতিক কালে দুইবাঙলায় দুইতিনশো লেখক লিখছেন এই মুক্তগদ্যরূপী প্রলম্বিত কবিতা। হ্যাঁ, মুক্তগদ্যকে প্রলম্বিত কবিতাও বলা যায়। কবিতায় আমরা যা বলতে পারি না, তা মুক্তগদ্যে বলতে পারি। কারণ এইখানে মাত্রা ঠিক রাখার দরকার নেই, বাহুল্য ঝেড়ে ফেলারও দরকার নেই। ইহা আসলে চলমান ট্রেনের জানলা দিয়ে দেখা দিগন্তের পায়ে আটকে থাকা দৃশ্যের বর্ণনা। ইহা প্রকৃত অর্থে ঠিক সাজানো বাগান নয়, অনেকটা অরণ্যের বিন্যাসের মতো। ইহা আসলে উদ্ভিদের অঙ্কুরোদ্গমের মতো, বালিকার স্তন গজানোর মতো স্বতঃস্ফূর্ত ব্যাপার।

কোনো ভাবকেই একশোভাগ লিখিতরূপে প্রকাশ করা সম্ভব নয়, কবিতায় ধরেন কেটে ছেটে চল্লিশভাগ সেই ভাব প্রকাশিত হলো। কিন্তু মুক্তগদ্যে আপনি চাইলে তার সিংহভাগ প্রকাশ করতে পারছেন। এই স্বাধীনতা আপনার লেখক জীবনকে ফালি ফালি করে কাটতে পারে সজারুর কাঁটা দিয়ে, আবার আপনাকে কুসুমের পালকে সমাহিতও করতে পারে। মুক্তগদ্যের প্রধান শক্তি হলো গতি। একটানে পড়ে ফেলা যায়, পাঠককে থমকে দাঁড়াতে হয় না। আমরা প্রথাগত, কাঠামোবদ্ধ গদ্যের গতিকে ভেঙে নতুন এক গতি এবং মাত্রার বিনির্মাণ চাই।

মুক্তগদ্য হলো লেখকের একান্ত ব্যক্তিগত আবেগের লিখিত রূপ, অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত মনোলগ। সহজ কথায় মুক্তগদ্য হলো কবিতা, গদ্য ও ফিকশানের ত্রিমুখি শৃঙ্গার। আবারও বলি, এটা আসলে টানাগদ্যে লেখা কবিতারই একধরনের প্রলম্বিত রূপ। কখনো এখানে ধারাবাহিকতাও থাকে না। আমরা যে চিঠি লিখি, ডায়েরি লিখি তাও মুক্তগদ্যের মধ্যে পড়ে। মুক্তগদ্য আসলে নিজের সঙ্গেই কথা বলা। সস্তা আয়নার ভিতর দেখা নিজের ঢেউ ঢেউ রূপের বর্ণনা। তবে এইখানে আমরা পাঠকের জন্য অনেক স্পেস রেখে দিই, যা পাঠককে কল্পনার আশ্রয়ে নির্মাণ করা লাগে। আর মুক্তগদ্য কবিতার মতো বাহুল্যবর্জিত নয়। মুক্তগদ্যে শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কোনো নিয়ম নাই। শুধু ব্যবহৃত শব্দ বাক্যের সঙ্গে তাল মানে ভারসাম্য রক্ষা করতে পারলেই হলো। দেশি, বিদেশি, তৎসম, অপ্রচলিত ইত্যাকার প্রায় সকল শব্দই ব্যবহার করা যাবে। মুক্তগদ্যকে বলতে পারেন সারারাত ধরে দেখা স্বপ্ন এবং দুঃস্বপ্নের বর্ণনা। আপনি দেখেন শাদাকালো স্বপ্ন, আর মুক্তগদ্য হলো সেই ভাঙা ভাঙা ছিন্ন স্বপ্নকে একটি সুতায় বেঁধে ফেলার চেষ্টা। স্বপ্নের ভিতর ঘুম, সেই ঘুমের ভিতর স্বপ্ন , আবার সেই স্বপ্নের ভিতর দেখা দুঃস্বপ্নের বিমূর্ত ছবি আঁকাই মুক্তগদ্য। চাইলে রং দিতে পারেন। ইহা আসলে সংলগ্নতারহিত জীবনযন্ত্রণার ন্যারেটিভ। তাই আপনি এটার ধারাবাহিক কোনো সূত্র তৈরি করতে পারবেন না। আবারও বলি মুক্তগদ্য আসলে টানাগদ্যে লেখা কবিতারই একটা প্রলম্বিত রূপ বা খসড়া বা প্রাথমিক রূপ। অথবা কবিতার কাঁচামাল। এর থেকে এক বা একাধিক কম্প্যাক্ট (কম্প্যাক্ট হওয়া কবিতার পূর্বশর্ত বলে আমি মনে করি) কবিতা বের হতে পারে।

এই ধারার গদ্যকে নিয়ে অন্যভাবেও ভাবা যায়। ধরেন, প্রত্যেক কবিরই এই রকম কিছু রচনা আছে। যেইগুলির প্রতি তার গভীর মমতা বিদ্যমান। কিন্তু বাহুল্য দোষে দুষ্ট বলে প্রকাশ করতে চান না বা ফেলে দেন। মুক্তগদ্য জেনরে আমরা সেইসকল বা সেই প্রজাতির লেখাকে প্রকাশ করার একটা চেষ্টা নিচ্ছি। এইসব লেখা আসলে কবিতার ভাষা তৈরিরও একধরনের প্লাটফর্ম। অনেকেই কবিতা লিখতে চান, কিন্তু ভাষা জানেন না বলে লেখাগুলি ঠিক কবিতা হয়ে উঠে না। সেই ক্ষেত্রে এই রকম একটা মুক্ত প্লাটফর্মে চর্চাটা করলে পড়া/পড়ানোর মাধ্যমে একসময় আমরা একটা ভাষা পেয়ে যাচ্ছি। যা পরবর্তীতে কবিতায় কম্প্যাক্ট রূপে প্রকাশ করার পথ পাচ্ছি। এমন অনেক তরুণ কবির সঙ্গে আমার পরিচিত হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে যারা এই ধরনের গদ্যের দরজা দিয়ে ঢুকে পরবর্তীতে অনেক ভালো কবিতা লিখছেন।

মুক্তগদ্য মূলত ললিত ভাষা শিক্ষার বিদ্যালয়। একবার ভাষা শিখে গেলে সাহিত্যের যেকোনো লাইনে গিয়ে দাঁড়ানো সম্ভব বলে আমি জ্ঞান করি।

মুক্তগদ্য লিখতে হলে সৌন্দর্যের স্বরূপ জানা অত্যাবশ্যক। আর এই যে মুক্তগদ্যের ইশতেহার লিখলাম এইটাও একার্থে মুক্তগদ্য।

এইবার আমি আগের কথাবলির একটা আপাত সারাংশ টানবো। না-নিয়মের যে নিয়ম তা আবার পাঠ করবো। এই জাতীয় রচনা স্বতঃস্ফূর্ত এবং গতিময় হবে। টান টান কম্প্যাক্ট বা বাহুল্যবর্জিত হওয়ার দরকার নেই; বাহুল্যই এ জাতীয় গদ্যের আভরণ। এখানে ব্যাকরণাবদ্ধ কোনো নিয়ম মানার দরকার নেই। সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ দুষণীয় নয়। ক্রিয়াপদের সদ্ব্যহার দরকার নেই, বোধগম্য হলেই হলো। প্রথাগত কিংবা আধুনিক কোনো ছন্দ প্রয়োগেরই দরকার নেই সচেতনভাবে। শব্দের ক্ষেত্রে অর্থোডক্স দুষণীয় নয়, যদি তা বাক্যের সঙ্গে তাল রাখতে পারে। বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। পাঠকের জন্যে স্পেস রাখতে পারলে ভালো। বাক্য কিংবা অনুচ্ছেদে পরম্পরা বা ধারাবাহিকতা রাখার দরকার নেই, অসংলগ্নও হতে পারে যেহেতু পাশাপাশি অসংলগ্ন কিছু রাখলে তা একধরনের সম্পর্ক তৈরি করে নেয় নিজেদের মধ্যে। বিরামচিহ্নের ক্ষেত্রেও কোনো কঠিন নিয়ম নাই। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের নন্দনতত্ত্ব সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকা অত্যাবশ্যক। কেননা আর্ট না জানলে যাই-ই লিখবেন বাজারের ফর্দ কিংবা জমির দলিল হয়ে যাইতে পারে। একজন দলিললেখক আর একজন কবিতালেখকের মধ্যে বিশদ পার্থক্য বিদ্যমান যাহা খালি চোখে দেখা যায়, অণুবীক্ষণযন্ত্রের দরকার পড়ে না।


 

error: Content is protected !!